JamiJama

রিয়েল এস্টেট মার্কেট গাইড

বরিশাল এ বিক্রয়ের জন্য জমি

বরিশাল এ জমি তুলনা করুন লাইভ JamiJama লিস্টিং ডেটা দিয়ে, যার মধ্যে মূল্যসীমা, গড় চাহিদা মূল্য, সক্রিয় ইনভেন্টরি, জনপ্রিয় এলাকা এবং নতুন অনুমোদিত প্রপার্টি রয়েছে।

মার্কেট স্ন্যাপশট

লিস্টিং
2
গড় মূল্য
Price on request
সর্বনিম্ন
Price on request
সর্বোচ্চ
Price on request

এলাকা সম্পর্কে

ওভারভিউ

বরিশাল জেলা বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এটি দেশের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলে কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এবং প্রাচীনকালে এটি বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিত ছিল। জেলাটি ১৭৯৭ সালে বেকারগঞ্জ জেলা নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৯৩ সালে বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জেলার মোট আয়তন ২,৭৮৪.৫২ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ২৫,৭০,৩৭১ জন। বরিশাল শহর জেলার সদর দপ্তর এবং এটি "দক্ষিণ বাংলার ভেনিস" নামে খ্যাত। জেলার উত্তরে চাঁদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা, দক্ষিণে ঝালকাঠি, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলা, পূর্বে লক্ষ্মীপুর জেলা ও মেঘনা নদী এবং পশ্চিমে পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও গোপালগঞ্জ জেলা অবস্থিত। জেলাটি ১০টি উপজেলা, ১টি সিটি কর্পোরেশন, ৬টি পৌরসভা ও ৮৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

অর্থনীতি

বরিশাল জেলার অর্থনীতি কৃষি, মৎস্য ও শিল্প-উভয় খাতেই শক্তিশালী। জেলাটি দেশের অন্যতম প্রধান ধান উৎপাদনকারী অঞ্চল এবং এখানে বিখ্যাত বালাম চাল (বাসমতি) ব্যাপক পরিমাণে উৎপাদিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে জেলায় মোট ধান উৎপাদন হয়েছে ৫,১৯,৮৮৯ মেট্রিক টন। মাছ উৎপাদনেও বরিশাল অগ্রণী ভূমিকা রাখে—একই সময়ে জেলায় মাছ উৎপাদন হয়েছে ১,১৩,২৫৭.৬০ মেট্রিক টন, যার মধ্যে ইলিশ উৎপাদন ৩৮,৫১৮ মেট্রিক টন। বরিশালের "চ্যাপা শুঁটকি" (রুই জাতীয় মাছের শুঁটকি) দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলায় প্রায় ৩,০০০ টন শুঁটকি উৎপাদিত হয়, যার মূল্য প্রায় ৫-৬ কোটি টাকা। এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয়ভাবে প্রায় ২০০ জন কর্মরত রয়েছেন। ডাল উৎপাদনে জেলার অবদান উল্লেখযোগ্য—২০১৯-২০ অর্থবছরে ৬৬,০১৯ মেট্রিক টন ডাল উৎপাদিত হয়েছে। শিল্প খাতে বরিশাল বিএসসিআইসি শিল্প এস্টেট ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৩১ একর জমির ওপর নির্মিত এই এস্টেটে ৪৭০টি শিল্প প্লট রয়েছে, যার মধ্যে ৩৭৭টি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফরচুন শু ফ্যাক্টরি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৫,০০০-এর বেশি শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছে। তবে শিল্প গ্যাস সংযোগের অভাবে এস্টেটটির সক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১১৫টি প্লটে পূর্ণ উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এস্টেটটি পুরোপুরি চালু হলে ৫০,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। জেলার অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ১৬টি ব্যাংক ও ৭৭টি এনজিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বরিশাল বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী বন্দর হিসেবে পরিচিত।

পরিবহন

বরিশাল জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী উন্নয়ন আসছে। ২০২২ সালে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে এই পথে প্রতিদিন ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ যানবাহন চলাচল করে। তবে ভুরঘাটা থেকে বটাজোর কবিবাড়ি পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার মহাসড়কে ব্যাপক গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রবেশপথ হওয়ায় যাত্রী ও চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে দূরত্ব অতিক্রম করতে স্বাভাবিকের দ্বিগুণ সময় লাগে। সম্প্রতি সরকার ঘোষণা করেছে যে ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত ছয় লেনের মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে, যা বরিশাল হয়ে যাবে। এ ছাড়া ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পটুয়াখালী পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ভাঙ্গা-বরিশাল রেলপথের জন্য জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) জমা দেওয়া হয়েছে। তবে আন্তঃনদী বরিশাল ও পটুয়াখালীর মধ্যে রেলপথ নির্মাণের জন্য বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা চূড়ান্তকরণে ২-৩ বছর সময় লাগতে পারে। বর্তমানে বরিশাল বিমানবন্দরে ঢাকার সাথে সপ্তাহে মাত্র একটি ফ্লাইট রয়েছে, যা ব্যবসায়ীদের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তবে বিমানবন্দরটির সম্প্রসারণ ও আরও ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বরিশাল নদী বন্দরটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী বন্দর এবং এটি নৌপথে ঢাকা ও অন্যান্য জেলার সাথে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এলজিইডি জেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ করছে, যার আওতায় বর্তমানে ২,৬২১ কিলোমিটার পাকা সড়ক ও ৬,১৭৫ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক রয়েছে।

শিক্ষা

বরিশাল জেলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জেলার সাক্ষরতার হার ৭৯.৮৫ শতাংশ, যা জাতীয় গড় ৭৪.৮০ শতাংশের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। জেলায় মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১,৫৭২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪২৬টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬১টি বেসরকারি কলেজ, ৮টি সরকারি কলেজ, ১টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ২৩৭টি মাদ্রাসা। উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক ইউনিভার্সিটি), বরিশাল সরকারি কলেজ, ব্রজমোহন কলেজ, সরকারি হাতেম আলী কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও বরিশাল ক্যাডেট কলেজ। ব্র্যাক এ জেলায় ১০২টি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৬২টি কমিউনিটি লাইব্রেরি (গণকেন্দ্র) পরিচালনা করে। জেলায় মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এত বেশি যে বরিশাল বিভাগের মধ্যে এটি শিক্ষার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষার মানোন্নয়নে ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলায় ১১১৬টি গ্রাম ও ১০০১টি মৌজায় শিক্ষার প্রসার ঘটেছে।

স্বাস্থ্যসেবা

বরিশাল জেলায় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা রয়েছে। জেলায় মোট ১২টি হাসপাতাল রয়েছে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) জেলার প্রধান সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক জেলাবাসীকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। ব্র্যাকের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা কর্মসূচির অধীনে এ জেলায় ১৩০ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৯০৩ জন স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন এবং ২টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য খাতে অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ও সেবার মান বৃদ্ধির উদ্যোগ রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা পরবর্তী জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী ও বেসরকারি সংস্থাগুলো নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে থাকে। সম্প্রতি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বেশ কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে, যা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে। বেসরকারি উদ্যোগেও বরিশালে বেশ কয়েকটি মানসম্পন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে।

বিনিয়োগ

বরিশাল জেলা বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা, বিশেষ করে বিএসসিআইসি শিল্প এস্টেট, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে। ১৩১ একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত বরিশাল বিএসসিআইসি শিল্প এস্টেটটি সম্পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করতে পারলে প্রায় ৫০,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। বর্তমানে ফরচুন শু ফ্যাক্টরির মতো সফল প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছে। বোলা থেকে বরিশালে গ্যাস সংযোগ আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে শিল্প এস্টেটের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষিত হবে। কৃষি প্রক্রিয়াকরণ খাতে বিশেষ করে ধান, ডাল ও মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। "চ্যাপা শুঁটকি" দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করায় এর বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে প্রতি টন শুঁটকি ৮,০০০-১৮,০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এই খাতের লাভজনকতা প্রমাণ করে। ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী ছয় লেনের মহাসড়ক ও রেলপথ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিবহন খরচ ও সময় কমে যাবে, যা এই অঞ্চলে বিনিয়োগ আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। পর্যটন খাতেও বরিশালে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে—গুঠিয়া মসজিদ, দূর্গাসাগর, কীর্তনখোলা নদী ও অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থানগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটক আকর্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু উদ্যান ও শের-ই-বাংলা স্মৃতি জাদুঘরও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নয়নের দাবি রাখে। সম্প্রতি সরকার বরিশালে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের উদ্যোগ ঘোষণা করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

ভবিষ্যৎ উন্নয়ন

বরিশালের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ছয় লেনের মহাসড়ক ও রেল সংযোগ স্থাপন, শিল্প গ্যাস সংযোগ নিশ্চিতকরণ, বিএসসিআইসি শিল্প এস্টেটের পূর্ণাঙ্গ চালু, বিমানবন্দর সম্প্রসারণ ও পর্যটন খাত উন্নয়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। সরকার ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত ছয় লেনের মহাসড়ক নির্মাণ ও রেল সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা বরিশালকে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান পরিবহন কেন্দ্রে পরিণত করবে। বোলা থেকে বরিশালে গ্যাস সংযোগ আনার উদ্যোগ সফল হলে শিল্প খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে সপ্তাহে একদিনের ফ্লাইট রয়েছে বরিশাল বিমানবন্দরে, যা ভবিষ্যতে নিয়মিত ফ্লাইট চালু করে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এলজিইডি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ জেলার সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ করছে, বিশেষ করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বেহাল দশা উন্নত করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বরিশাল বিএসসিআইসি শিল্প এস্টেটকে একটি মডেল শিল্প কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা শিল্প-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এবং নিয়মিত উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় করছেন। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বরিশালকে একটি টেকসই ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মার্কেট ওভারভিউ

বরিশাল এ JamiJama-তে 2টি অনুমোদিত জমি লিস্টিং আছে। বর্তমান গড় চাহিদা মূল্য Price on request, আর মূল্যসীমা Price on request থেকে Price on request।

বরিশাল এ জমি তুলনা করার সময় মালিকানা কাগজপত্র, রাস্তা, ইউটিলিটি, নিকটবর্তী সেবা এবং সাম্প্রতিক স্থানীয় চাহিদা মূল্য যাচাই করুন। এই পেজটি প্রপার্টি সংখ্যা, মূল্য, লোকেশন এবং সর্বশেষ অনুমোদিত লিস্টিং থেকে তৈরি, তাই বাজারের ডেটা বদলালে কনটেন্টও আপডেট হয়।

গড় প্রপার্টি মূল্য

Price on request

মূল্যসীমা

Price on request - Price on request

সর্বশেষ পর্যালোচিত লিস্টিং

2

জনপ্রিয় এলাকা

সর্বশেষ লিস্টিং

বরিশাল এ নতুন অনুমোদিত জমি লিস্টিং।

সব দেখুন

এখানে কেন বিনিয়োগ করবেন

বাজেট, ডকুমেন্টেশন স্ট্যান্ডার্ড এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার মিলে গেলে বরিশাল আকর্ষণীয় হতে পারে। জমি কেনার আগে প্রতি সাইজ ইউনিটের মূল্য, প্রধান সড়কে প্রবেশ, নিকটবর্তী স্কুল বা ব্যবসায়িক এলাকা এবং একই জেলার অনুরূপ লিস্টিংয়ের চাহিদা তুলনা করুন।

কেনার টিপস

  • পেমেন্টের আগে মালিকানা, নামজারি, ট্যাক্স এবং রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট যাচাই করুন।
  • এই পেজে দেখানো গড় মূল্য ও মূল্যসীমার সঙ্গে চাহিদা মূল্য তুলনা করুন।
  • রাস্তা, ইউটিলিটি সংযোগ, ড্রেনেজ এবং নিকটবর্তী সেবা পরিদর্শন করুন।
  • বরিশাল এ বিক্রেতার সঙ্গে দরদাম করার আগে একাধিক লিস্টিং শর্টলিস্ট করুন।

সাধারণ প্রশ্ন

বরিশাল এ কতটি জমি পাওয়া যাচ্ছে?

JamiJama বর্তমানে বরিশাল এ 2টি অনুমোদিত জমি দেখাচ্ছে। নতুন যাচাইকৃত লিস্টিং প্রকাশিত হলে এই সংখ্যা বদলাবে।

বরিশাল এ জমি এর গড় মূল্য কত?

বরিশাল এ জমি এর নির্ভরযোগ্য গড় মূল্য দেখানোর মতো পর্যাপ্ত অনুমোদিত ডেটা এখনো নেই।

বরিশাল এ কেনার আগে কোন বিষয়গুলো তুলনা করা উচিত?

বরিশাল এ জমি কেনার আগে রাস্তা, ইউটিলিটি, মালিকানা কাগজপত্র, আশপাশের সেবা এবং সাম্প্রতিক চাহিদা মূল্য তুলনা করুন।